ভুল খাবারে শুক্রাণু দুর্বল হতে পারে, কিছু খাবার পুরুষের বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে
শুক্রাণু সমস্যা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। কিন্তু এই সমস্যা নিয়ে কথা বলা সহজ নয় অনেকেই। তাই যে কোনো খাবার যে শুক্রাণুর সমস্যা বাড়াতে পারে তা অনেকেই জানেন না।
শুক্রাণুর সংখ্যা হ্রাস শুধুমাত্র পুরুষদের জন্য নয়, সমগ্র মানব সমাজের জন্য মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা সন্তান ধারণ করতে চান তাদের অনেকেই এর কারণে সন্তান নিতে পারছেন না। কিন্তু এখনও অনেকে শুক্রাণুর সমস্যা বা বন্ধ্যাত্ব নিয়ে কথা বলতে লজ্জাবোধ করেন। তাই ঠিক কেন এমনটা হয় সে বিষয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। পুরুষ বন্ধ্যাত্বের সঠিক কারণ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ডায়েট যে একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে তা নিয়ে বিতর্কের কোনো অবকাশ নেই। জেনে নিন কোন খাবারগুলো পুরুষের বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়ায়-
1. প্রক্রিয়াজাত মাংস
শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ প্রক্রিয়াজাত মাংস। বেকন, সালামি থেকে শুরু করে হটডগ, বার্গার—এই ধরনের মাংস সব ধরনের ফাস্ট ফুডে ব্যবহৃত হয়। এই জাতীয় খাবারের উপর পরিচালিত একটি গবেষণা স্পষ্টভাবে এটি বলে। তাদের মতে, প্রক্রিয়াজাত লাল মাংস এক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষতিকর। তবে মুরগির মাংসে তেমন কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। তবে, গবেষকরা নিশ্চিত নন ঠিক কী কারণে এমন ঘটনা ঘটছে।
2. অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত দুধ
বর্তমানে অনেককে দেখা যায় উৎপাদন বাড়াতে স্টেরয়েড দিয়ে গবাদিপশুকে ইনজেকশন দিতে। এই ধরনের ওষুধ দুধকেও প্রভাবিত করে। মেডিকেটেড গবাদি পশুর দুধে চর্বি বেশি থাকে। 18 থেকে 22 বছর বয়সী পুরুষদের উপর একটি সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে যে এই ধরনের দুধ এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য খাওয়া শুক্রাণু চলাচল, গতি এবং আকৃতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই দুধ কেনার আগে এই বিষয়টি ভালো করে জেনে নেওয়া উচিত।
3. রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক
শুধু খাবার নয়, খাদ্যের বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদানগুলোও শুক্রাণুর সমস্যার জন্য মারাত্মকভাবে দায়ী। সার ও কীটনাশকের প্রভাব মারাত্মক হতে পারে। প্রায় সব শাক-সবজিতেই এমন রাসায়নিক থাকে। ফলে এসব রাসায়নিক এড়ানো কঠিন। জৈব সার দিয়ে চাষ করা এবং কীটনাশক ব্যবহার না করে এ ধরনের সবজি খেলে কিছু উপকার পাওয়া যায়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন